Real Honey

আসসালামু আলাইকুম…. আপনাকে আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম।

মধুতে ১৮১টি উপাদান বিদ্যমান যা পৃথিবীর অন্য কোন খাবারে নেই। প্রাচীন মিশরে ৫০০টি রোগের ঔষধের ব্যবহার হিসাবে মধু খেতে দেওয়া হত। হাদীসে মধুকে মহৌষধ বলা হয়েছে। তাই সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপনে খাঁটি মধু খান।

░▒▓█ আমাদের পণ্য সমূহঃ

❁ সরিষা ফুলের মধু
❁ কালোজিরা ফুলের মধু
❁ লিচু ফুলের মধু
❁ ধনিয়া ফুলের মধু
❁ সুন্দরবনের মধু
❁ বিভিন্ন ফুলের মিশ্র মধু
❁ কালোজিরার তৈল ও ঘি

░▒▓█ আমাদের মধু কেন কিনবেন?

❁ আমাদের মধু শতভাগ খাঁটি ও মানসম্মত।
❁ আমাদের মধু সম্পূর্ণ অর্গানিক অর্থাৎ প্রাকৃতিক উপায়ে চাষ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হাতের স্পর্শ ছাড়া সংগৃহীত।
❁ আমাদের মধু বাজারে অন্যান্যদের তুলনায় দামে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য।
❁ আমাদের মধু আপনাদের অর্ডার অনুযায়ী দেশের প্রায় সকল স্থানেই কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়।
❁ আমাদের মধু কিনতে হলে অগ্রীম টাকা দিতে হয়না অর্থাৎ মধু হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ করার সুযোগ রয়েছে।
❁ আমাদের খামারে এসে সরাসরি দেখে শুনে মধু সংগ্রহ করতে পারবেন।
❁ আমাদের মধু রিটার্ন অর্থাৎ ফেরত দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
❁ আমাদের মধু ভেজাল প্রমানে পুরুষ্কার।


Photo Gallery


মধু উচ্চমাত্রায় মিষ্টি হয়ে থাকে। এটিতে প্রায় ৩৮ শতাংশ ফ্রুকটোজ থাকার কারণে মধু সাধারণ চিনির চেয়ে প্রায় ২৫% বেশি মিষ্টি হয়।

হ্যাঁ খাঁটি মধু জমে। সরিষা ফুলের মধু দানা বেধে একদম নারিকেল তেলের মত হয়ে যায়। এছাড়াও ধনিয়া, লিচু, সুন্দরবনের ফুলের মধুতে হালকা দানা কিংবা জমতে পারে। এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই এটা মধুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। রোদে দিলে এটি আস্তে আস্তে আবার তরল হয়ে যাবে।

না, প্রকৃত মধু কখনই বিনষ্ট হয় না। তবে চিনির সিরাপ জ্বাল দিয়ে ঘন করে এক ধরনের মধু তৈরি করা হয়, সেগুলো মোটেই প্রকৃত মধু নয়। দেখা গেছে, প্রকৃত মধু সাধারণ কক্ষ তাপমাত্রাতেই যে কোনো মুখ ঢাকা পাত্রে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণ করা সম্ভবপর। অনেকে মধু ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন। কিন্তু সংরক্ষণ করার জন্য মধু ফ্রিজে রাখার তেমন কোনো প্রয়োজনই হয় না। বরং ফ্রিজের হিমায়িত পরিবেশ থেকে বের করে ব্যবহার করার কারণে মধুর প্রকৃত গুণের অনেক অভাব দেখা যায়। আবার মধুতে সরাসরি তাপ দিলে মধুর গুনগত মান নষ্ট হয় এমনকি মধু বিষে রুপান্তরিত হতে পারে।

অনেক সময় মধুর ওপর ফেনা দেখা দেয়। এর কারণ কি? মধুর ওপর অনেক সময় সাদাটে বা ঘোলাটে ধরনের ফেনা দেখা দেয়। এসব ফেনা মূলত মধুর উপর বায়ু জমে থাকার কারণেই হয়। এগুলো প্রাকৃতিক ও অক্ষতিকর। এগুলো মধুর গুণাগুণের কোনো ক্ষতি করে না বা মধুপায়ীদের দৈহিক কোনো ক্ষতি করে না। তবে এই ফেনা মধুতে পানির পরিমানের নির্দেশ করে। ফেনা অবস্থায় যদি দীর্ঘদিন রাখা যায় তবে মধুতে গ্যাসের সৃষ্টি হতে পারে যা আস্তে আস্তে মধুর গুনগত মান কমিয়ে দিতে পারে।

আমাদের মৌ খামার হলো একটি ভ্রাম্যমাণ মৌ খামার। যখন যেই স্থানে যে ফুল থাকে আমরা সেখানে আমাদের মৌ খামার নিয়ে যায় এবং সেখানে উক্ত ফুল থাকা পর্যন্ত অবস্থান করি। আমরা এভাবে বছরের প্রায় অর্ধাংশ সময় অর্থাৎ ৬ মাস মতো মধু সংগ্রহের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়ায়। অতঃপর এভাবে আমরা আমাদের মধু সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণ করে রাখি এবং সারাবছর বিক্রি করে থাকি।

দামে কম, আকর্ষণীয় ও লোভনীয় মধু দেখে ভেজাল মধু কিনে প্রতারিত হবেন না। মধু কেনার আগে অবশ্যই উক্ত মধুর উৎস্য ও মান যাচাই করে কিনুন। সম্ভব হলে খামার হতে সরাসরি গিয়ে মধু সংগ্রহ করুন।


মধু কেনার আগে মধুর ঘনত্ব পরিক্ষা করে পাকা মধু কেনার চেস্টা করুন।
কেননা কাঁচা মধুর থেকে পাকা মধু দীর্ঘদিন বেশি ভালো থাকে।

আপনারা যদি আমাদের মৌ খামারে এসে দেখে-শুনে মধু নিতে চান তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ ইছাখাদা, দরগার গেইট, মাগুরা সদর মাগুরা। মোবাঃ০১৯৩৬৮৩০৮৮৬ / ০১৯৯২৪৬০০২৫